মুক্তিযুদ্ধের সম্মানজনক স্বীকৃতিটুকুও পাননি খাগড়াছড়ির মং রাজা

নিউজ ডেস্ক: খাগড়াছড়ির মং রাজা মং প্রু সেইন। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম থেকেই তিনি রাজবড়িতে খুলেছিলেন একটি অস্থায়ী লঙ্গরখানা। অকাতরে বিলিয়েছেন রাজ প্রসাদের খাদ্য, গবাধিপশু, অস্ত্রশস্ত্র ও যানবাহন। সর্বশেষ তিনি আখাউড়া সীমান্তে নেতৃত্ব দেন সম্মুখ সমরে। মুক্তিযুদ্ধের এত অবদান থাকার পরও দেশ তিনি পাননি মুক্তিযুদ্ধার সম্মানজনক স্বীকৃতিটুকু।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি রাজবাড়ি। মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি নিয়ে এখনো টিকে আছে মং রাজার এই বাড়িটি।

উনিশো একাত্তর। দেশজুড়ে তুমুল যুদ্ধ। যার রেশ ছড়িয়ে ছিল পাহাড়েও। তাতে সার্কেল প্রধান মং প্রু সেইনের বাড়িটি হয়ে উঠে এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের নির্ভরতার ঠিকানা। পাশাপাশি নিজেও নেতৃত্ব দেন সম্মুখ সমরে।

মুক্তিযুদ্ধে অস্থায়ী সরকারের কাছে ১১শ ডলার দান করেছিলেন মংরাজা। বিলিয়ে দেন রাজ পরিবারের সব অস্ত্র। তবে এতো যার অবদান, তার কোনই মূল্যায়ন হয়নি গেল সাড়ে দশকে। পাননি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিও।

প্রশাসনের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেন, তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতির মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্ম পেতে পারেন ইতিহাসের নতুন পাঠ।

ইতিহাস বলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন সার্কেল প্রধানের মধ্যে একমাত্র মং রাজাই সরাসরি অবস্থান নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

মতামত দিন