রংপুর সিটি নির্বাচন: ঝন্টুর আয় বেশি, ঋণগ্রস্ত বাবলা

রংপুর : রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর আয় সবচেয়ে বেশি; আর সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা।

রোববার দুপুরে রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায়।

প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার আয় অনেক কম। মোস্তফার চেয়ে বিএনপি প্রার্থীর বাবলার আয় অনেক বেশি হলেও তিনি ঋণগ্রস্ত।

অনুষ্ঠানে মহানগর সুজনের সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু তথ্য উপস্থাপন করেন। এ সময় সুজনের সভাপতি আকবর হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুসারে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর কোনো কৃষি জমি নেই। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৪০ টাকা।

জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে তিন লাখ ৬৪ হাজার ২৭২ টাকা। এছাড়া জনতা ব্যাংকে তার নামে ১৫ লাখ টাকা ঋণ আছে।

হলফনামায় দেওয়া তথ্যানুযায়ী বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার নামে দুটি ফৌজদারী মামলা আছে। তার বার্ষিক আয় উল্লেখ করা হয়েছে ১৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। তার নিজ নামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ঋণ আছে ৮ কোটি এবং যৌথ নামে সোনালী ব্যাংকে ঋণ আছে ৪২ কোটি টাকা বলে জানায় সুজন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তার ব্যক্তিগত ঋণ আছে ১০ লাখ টাকা।

রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুসন্ধান চালিয়ে বা অভিযোগ হলে অনুসন্ধান করে ভুল তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

প্রমাণিত হলে নির্বাচিত হওয়ার পর তার মেয়র পদ বাতিলও হতে পারে বলে জানান তিনি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের। মেয়র পদে সাত প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১১ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মতামত দিন