বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৃহস্পতিবার দশম সংসদের ২১তম অধিবেশনে তিনি এই বাজেট উপস্থাপন করছেন। এটি আওয়ামী লীগ সরকারের চলতি মেয়াদের শেষ বাজেট, যা দীর্ঘ আলোচনা শেষে আগামী ২৮ জুন পাস হবে।

এর আগে সকালে সংসদে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এই বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেট পাসের মাত্র কয়েক মাস পরেই দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই জনগণের মন তুষ্টির বিপরীত কিছু না ঘটে তার প্রভাব থাকবে বাজেটে।

বাজেট-পূর্ব আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত নিজেও বলেছেন, এবারের বাজেটে মৌলিক কোনো পরিবর্তন থাকবে না। এ বছরের বাজেট হবে গতানুগতিক বাজেট।

বিশ্বব্যাংক ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৭ থাকবে বলে অনুমান করছে।

সেখানে অর্থমন্ত্রী জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ ধরে বাজেট উপস্থাপন করবেন।

এবারের বাজেটে গুরুত্ব পাচ্ছে মেগা প্রকল্পগুলোতে অর্থ ছাড়ের বিষয়। নির্বাচনী বছরে পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলসহ জনগণের সাথে সম্পৃক্ত মেগা প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করতে যাতে অর্থ ছাড়ে কোনো বিড়ম্বনা পোহাতে না হয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা থাকবে এ বাজেটে।

পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা খাতের আওতা বাড়িয়ে অধিক সংখ্যক দরিদ্র মানুষের কাছে এর সুফল পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা থাকছে। ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে করপোরেট কর হার কমানো হচ্ছে। উপরন্তু নতুন করে কর আরোপ করা হচ্ছে না।

ভোটের বছরে বিশালাকারের বাজেটে ঘাটতি থাকছে প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। সে কারণে আসন্ন বাজেটকে ঘাটতি নির্ভর ভোটের বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা।

মতামত দিন