স্বপ্নবাজদের পত্রিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সবসময় সত্য সুন্দর ভালো ও সফলতার খবর দিতে প্রকাশ হয়ে আসছে আবীর আকাশ জার্নাল নামের একটি পূর্ণাঙ্গ কাগজ। যারা স্বপ্ন ছুঁতে চান, স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছুতে চান এমনকি মনের গহীনে লুকিয়ে রাখা স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে চান; তারাই আগামীর তারকা। ভবিষ্যৎ পৃথিবীর কান্ডারী। “আবীর আকাশ জার্নাল” তাদের কথাই বলে। আবীর আকাশ জার্নাল এমন একটি পত্রিকা যেখানে কোনো দুঃখজনক ঘটনার খবর থাকবে না, থাকবে শুধু ভালো এবং ইতিবাচক খবর। তাদের স্বপ্নের অংশীদার হয়, স্বপ্নবাজদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জীবনকে পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আবদ্ধ করে এগিয়ে নেয়ার তাগিদেই আবীর আকাশ জার্নাল এর পথচলা।

২০১৩ থেকে পাঠকের হাতে হাতে আবীর আকাশ জার্নাল পৌঁছে যায় এক ঝুঁড়ি জীবনের কথা, দাম্পত্যের গল্প, স্বপ্নবাজদের আইডিয়া আর প্রবীণের সাথে নবীনের মেলবন্ধ ঘটিয়ে। আবীর আকাশ জার্নাল পত্রিকা, যেখানে শুধু মজা,স্বপ্নবাজদের স্বপ্নগাথা এবং ইতিবাচক খবর ছাপা হয়। সব শ্রেনির পাঠকের ভালো লাগার মতো পত্রিকা এটি।

পৃথিবীর তাবৎ খবরের একঘেয়েমি ভেঙ্গে পাঠকের হৃদয়ে দোলা দিতে নতুন নতুন তথ্য নিয়ে ইতিবাচক ভাবনার স্পূরণ, ঘটিত কাহিনী, সফলতার কথা, স্বপ্নবাজদের স্বপ্নগাথা নিয়ে আবীর আকাশ জার্নাল এগিয়ে চলছে। যারা নিজেকে নিয়েই নয় আশপাশের পরিবেশ, সাধারণ সব মানুষজন তথা দেশ বা পৃথিবী নিয়ে ভাবছেন; তাদের মুক্ত চিন্তাগুলো আবীর আকাশ জার্নাল পত্রিকা হাজির করছে কেবলমাত্র পাঠকের কথা ভেবে।

“এসময়ের পত্রিকা বা সোশাল মিডিয়ায় খবর দেখলে আপনার মনে হতে পারে পৃথিবীতে শুধু ভয়াবহ ঘটনাই ঘটছে এবং আমাদের ভীত থাকা উচিত। সে বদ্ধ ধারণা পাল্টে দিতে আবীর আকাশ জার্নাল সত্য সুন্দরকে লালন করে পাঠককে দিচ্ছে ইতিবাচক সব খবর।”

পত্রপত্রিকায় আর সামাজিক মাধ্যমে পাঠক সত্যমিথ্যার মিশেলে নানা উদ্ভট সব খবর পড়ে পড়ে ক্লান্ত। সে ক্লান্তি,আর বোরিং সমালোচনা থেকে পাঠককে বের করে আনতে কবি অ আ আবীর আকাশ নিরলশ প্রচেষ্টা চালিয়ে ” আবীর আকাশ জার্নাল” পত্রিকা বের করছেন। ৮পৃষ্ঠা দিয়ে শুরু করলেও এর পরিধি ২০পৃষ্ঠায় পৌঁছবে বলে সম্পাদক জানিয়েছেন।

পত্রিকার সম্পাদক অ আ আবীর আকাশ বলেন, “খবরের কাগজ ও আবীর আকাশ জার্নাল পত্রিকা সম্পণ্নরূপে আলাদা বৈশিষ্ট্যের। আমরা কোনো খারাপ খবর ছাপতে চাই না। ভালো খবর ভালো কাগজে দিতে চাই। সবার ভালোবাসা, পাঠকের মহব্বত পেলে এই পত্রিকাটির পথচলা সুগম হবে ইনশাল্লাহ।”

পত্রিকাটি আপাতত প্রতি মাসে একবার গ্রাহকের হাতে পৌঁছায়। চাহিদামত এ পত্রিকা সাপ্তাহিক প্রকাশে নেমে আসতে পারে বলে সহকারী সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ মেহেরাজ জানিয়েছেন।

মতামত দিন