‘২১শে আগস্ট জাতির স্বপ্নকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল’

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা ও আক্রমণকারীদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ এবং ২১শে আগষ্ট ইতিহাসের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে এক স্মরণসভা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক মো. আইয়ুব খানের সভাপতিত্বে এবং সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রাশেদ ফারুকীর সঞ্চালনায় আইনজীবী অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি এ.কে.এম.সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মো. মুজিবুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ হাশেম, অশোক কুমার দাশ, মো. আবদুর রশীদ, বঙ্গবন্ধু আ্ওয়ামী পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও দুদক পিপি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সমিতির সহসভাপতি মো. রফিুকল আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. হাসান মুরাদ, নির্বাহী সদস্য মো. আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, মো. আফজাল হোসেন, অন্যান্য বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাজী নজমুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, দিদারুল আলম চৌধুরী, সৈয়দ জহির হোসেন, সৈয়দ মোক্তার আহমদ, চন্দন কুমার তালুকদার, এরশাদ হোসেন, শামসুল আলম, নিখিল কুমার নাথ, নুরল আনোয়ার চৌধুরী, জুবাঈদা সরোয়ার নিপা, মো. রাশেদুল আলম রাশেদ জিকু বড়–য়া, মোসলেম উদ্দিন, মো. মাহতাব চৌধুরী, মো. আবুল কালাম প্রমুখ।

সভায় মো. আইয়ুব খান বলেন- ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে শুধু তা নয় একটি জাতির স্বপ্নকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার ঘটনা আর ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার পরিকল্পনা একসূত্রে গাঁথা। শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতির সাহসী ঠিকানাকে খুন করার ষড়যন্ত্র ছিল। শেখ হাসিনাকে বাঙ্গালী জাতির স্বার্থে যাঁরা বাচিয়েছেন তারা আজ স্মৃতিতে অম্লান। তিনি আরোও বলেন, কোন অপশক্তি ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা যাবে না। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রানপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
সভার প্রারম্ভে নিহত শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে ১ মিনিট দাঁিড়য়ে নীরবতা পালন করা হয়।

মতামত দিন