লামায় আলহাজ্ব আলী মিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা প্রতিনিধি:
আলহাজ্ব মো. আলী মিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে করোনা পরিস্থিতি ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে লামায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও লামার প্রতিষ্ঠাতা কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব মো. আলী মিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও সাবেক লামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীর ব্যক্তি উদ্যোগে ৪শত পরিবারের মাঝে ৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটায় লামা বাজার চেয়ারম্যান পাড়াস্থ মীম ফিলিং স্টেশনে দুস্থদের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল) মো. রিজওয়ানুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহেদ উদ্দিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী, একতা মহিলা সমিতির নির্বাহী পরিচালক (আলী মিয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য) আনোয়ার বেগম, লামা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. রফিক উদ্দিন, পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর জোৎস্না বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন সেলিম সহ প্রমূখ।

আলহাজ্ব মো. আলী মিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও সাবেক লামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানান, লামা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড সহ লামা সদর ও রুপসীপাড়া ইউনিয়নের মোট ৪ শত নারী পুরুষের মাঝে জনপ্রতি ৫শত টাকা করে নগদ ২ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও লামার প্রতিষ্ঠাতা কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব মো. আলী মিয়া ২০১০ সালের ২২ আগস্ট বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৯৩০ সালে নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ উপজেলাধীন দেবনগর গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে এক খন্দকার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোহাম্মদ আনছার আলী খন্দকার। মাতার নাম ফুল বানু।

১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই সময় তিনি স্কুল কলেজ মাদ্রাসা রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্টসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে লামাকে আলোকিত করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৪ স্ত্রী, ১০ ছেলে, ১১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

মতামত দিন