কুয়েতে মানবপাচার মালায় সাংসদ পাপুল আটক, সাংসদ স্ত্রীর দাবি খবর সঠিক নয় 

নিউজ ডেস্ক:

কুয়েতে মানবপাচার ও হাজার কোটি টাকা পাচারে অভিযুক্ত লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল আটক হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) রাতে মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) তাকে আটক করে।

তবে তার স্ত্রী এবং ৩৪৯ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ সেলিনা ইসলাম দাবি করেছেন, তাঁর স্বামীকে কুয়েতে আটকের খবরটি সঠিক নয়। তাকে আলোচনার জন্য সিআইডিতে ডেকে নেয়া হয়েছে বলে রবিবার রাতে তিনি দাবি করেন।

আগের খবরে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র ওই সাংসদের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম রোববার বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, ‘কুয়েত সিআইডির (ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট) কর্মকর্তারা শনিবার রাত আটটার পর কাজী শহিদকে তাঁর বাসা থেকে নিয়ে গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে কুয়েতের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে এখানকার গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কেন সাংসদকে আটক করেছেন, সেটা জানার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে সিআইডিতে দূতাবাসের লোকজনকে পাঠানো হয়েছে।’

কুয়েতের সিআইডির বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছিল, স্বতন্ত্র এই সাংসদসহ তিনজনের ওই চক্র অন্তত ২০ হাজার বাংলাদেশিকে কুয়েতে পাঠিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আয় করেছে। কুয়েতের গণমাধ্যমগুলো অভিযুক্ত সাংসদের নাম প্রচার করেনি। তবে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত সাংসদের নাম কাজী শহিদ ইসলাম।

এদিকে কাজী শহিদের স্ত্রী ও জাতীয় সংসদের ৩৪৯ নম্বর সংরক্ষিত আসনের সাংসদ সেলিনা ইসলাম দাবি করেছেন, তাঁর স্বামীকে কুয়েতে আটকের খবরটি সঠিক নয়। রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সেলিনা ইসলাম বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতে গ্রেপ্তার–সম্পর্কিত যে তথ্য গণমাধ্যমে এসেছে, তা ঠিক নয়। তিনি সেখানে কোনো মামলার আসামি নন। কুয়েত সরকার তাদের নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ব্যবসায়িক বিষয়ে আলোচনার জন্য তাঁকে সেখানকার সরকারি দপ্তর বা সিআইডিতে ডেকে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দূতাবাসের পরিষ্কার কোনো তথ্য ছাড়া কাউকে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।’

মতামত দিন