করোনা টেষ্ট রিপোর্টের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা

সুমন গোস্বামী:

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি নমুনা পরীক্ষা করা হলেও এখন বেড়েছে ল্যাবরেটরি ও বুথের সংখ্যা। সেই সঙ্গে বেড়েছে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও। বর্তমানে দেশে ৬১টি ল্যাবরেটরিতে করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। তবে ল্যাব ও পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লেও সংকট কমেনি। অসংখ্য মানুষের অভিযোগ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার পরও তারা পরীক্ষা করাতে পারছেন না। আবার নমুনা জমা দিলেও সঠিক সময়ে রিপোর্ট পাচ্ছেন না। রিপোর্ট জন্য থাকছে দিনের পর দিন অপেক্ষা। এছাড়া, রিপোর্টে ভুল তথ্য থাকারও অভিযোগ আছে ।
বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি চট্টগ্রাম অফিসের সাংবাদিক শহীদুল সুমন বলেন, আমি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব স্হাপিত করোনা টেষ্ট বুথে চেম্পল দিয়েছিলাম ১২দিন হবে তারপর ও রিপোর্ট পায়নি।চেম্পল দিয়া পর কয়েকদিনের মধ্যে এসএমএস আসা কথা কিন্তু এখনো পাইনি চিন্তা আছি ।তবে আমি সুস্হ আছি।
চট্টগ্রামে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ডা: অপর্ণা বৈষ্ণব বলেন আমি জামাল খান প্রেস ক্লাবে যেই বুথ করেছে চেম্পল দিয়েছি ১৫ দিন পার হয়ে গেলেও আমি রিপোর্ট পাননি। রিপোর্টের বিষয়ে জানতে যে নম্বরে যোগাযোগ করার কথা সেই নম্বরে ফোনই ঢোকে না। কয়েকজন পরিচিত সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান নমুনার চাপ রয়েছে কয়েকদিনের মধ্যে পেয়ে যাবে।এর মধ্যে দুই পেরিয়ে গেছে এভাবে কত ঘণ্টা যাবে জানি না । এই দিকে অফিস থেকে বলছে চাকুরিতে যোগ দিয়া জন্য কি করো জানি না।
চট্টগ্রামে সিভিল সার্জন ডা: সেখ ফজলে রাব্বি বলেন চট্টগ্রামে সরকারি ও বেসরকারি বুথ সংখ্যা ১০টি তবে পুলিশ,র্যা ব ও বন্দর তাদের নিজেদের চেম্পল নিয়া বুথ রয়েছে।চেম্পল কালেকশন বুথ বেড়েছে স্যাম্পল কালেকশনের সংখ্যা ও বেড়েছে কিন্তু মেশিন তো বাড়েনি।এজন্য নমুনা জমে যাচ্ছে।অনেক দিন ধরে পরীক্ষা হচ্ছে এবং ফলাফল দিতে দেরি হচ্ছে।স্বাস্হ্য পরিচালক স্যার এসেছে এই বিষয় কথা বলবো আশা করি ৮/১০ দিনের মধ্যে এইটা কমে যাবে। তবে খুব তারাতারি রেজাল্ট পেতে চাইলে অক্সিজেন ওখানে যেই বুথ করা হয়েছে তাতে টেস্ট করলে সেইগুলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেজাল্ট পাওয়া দুই তিন দিনের মধ্যে।
রিপোর্টে তথ্য ভুলের বিষয়ে তিনি বলেন দেখেন প্রতিষ্ঠানে এমনে তো লোকবল কম আইটি,টেকনিক্যাল লোক নেই বলে চলে আরও দক্ষ লোকের প্রয়োজন।আমরা তো মানুষ ভুল তো একটু হবে তবে টেষ্ট করা সময় একটু ভালো করে ফরম দেখে নিলে অনেকটা ভুল কম হয়। তবে এই রকম ভুল হচ্ছে আমি শুনেছি এই বিষয় সকলকে বলা হয়েছে যাতে ফরম পূরণ করা সময় একটু সর্তক ভাবে কাজ করা তারা।

মতামত দিন