পটিয়ায় মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালনের ঘর বিতরণ

পটিয়া প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালন উৎসাহিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর ব্ল্যাক বেঙ্জল ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫ জন ছাগল পালনকারী খামারিদের মাঝে ছাগলের ঘর, ভিটামিনসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ জনাব আলহাজ সামশুল হক চৌধুরী, এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা সহ প্রাণিসম্পদ অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ভা. জপু চক্রবর্তী।

পটিয়া উপজেলায় মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালন উৎসাহিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর ব্ল্যাক বেঙ্জল ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫ জন ছাগল পালনকারী খামারিদের মাঝে ছাগলের ঘর, ভিটামিনসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ জনাব আলহাজ সামশুল হক চৌধুরী এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ বলেন, ছাগল পালন একটি লাভজনক পেশা। ইহা গরীবের গাভী বলেও পরিচিত। স্বল্প আয়ের মানুষ কিংবা অল্প বিনিয়োগে সক্ষম ব্যক্তিরা অল্প জায়গায় খুব সহজেই ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। ব্ল্যাক বেল জাতের ছাগল আমাদের দেশের নিজস্ব জাত। এই জাতের ছাগলের মাংস সুস্বাদু এবং চামড়া উন্নত মানের হওয়ায় দেশে বিদেশে সমান ভাবে জনপ্রিয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল কষ্ট সহিষ্ণু, দ্বুত বর্ধনশীল এবং বছরে দুইবার বাচ্চা দেয়। প্রতিবারে এই ছাগল দুই বা ততোধিক বাচ্চা দেয় এবং দ্বুত বাজারজাত করণের উপযোগী হয় বলে এই জাতের ছাগল পালন লাভজনক। তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এসময় তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে গবাদিপশুর টিকা প্রদান কর্মসূচি এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সেবা কার্ড বিতরণ এর পাইলট কর্মসুচীর শুভ উদ্বোধন করেন। এই কর্মসূচি অত্র অফিসের নিজস্ব একটি পাইলট কর্মসূচি যার মাধ্যমে এই উপজেলায় বাণিজ্যিক খামারে গবাদি পশুর টিকা শতভাগ নিশ্চিত হবে এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সেবা কার্ডের মাধ্যমে খামারিরা টিকার রেকর্ড সহজে রাখতে পারবেন।

হুইপ আরো বলেন, এতদিন অসহায় ও ভুমিহীন মানুষ পেয়েছেন থাকার ঘর। এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় পটিয়াতে মানুষের পাশাপাশি ছাগলও পেয়েছে থাকার ঘর।

মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালনে উৎসাহিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫ খামারীকে ঘর, ভিটামিনসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করেন।

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী ব্যতিক্রমী ও উৎসাহমূলক প্রকল্পের ঘরসহ সরঞ্জাম প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- পটিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমা,উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জপু চক্রবর্ত্তী, হুইপের প্রতিনিধি আ’লীগ নেতা মুহাম্মদ ছৈয়দ, পটিয়া পৌরসভা আ’লীগ সভাপতি আলমগীর আলম, সাধারণ সম্পাদক এমএনএ নাছির, পটিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি প্রণব দাশ, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিল খুরশেদ গণি, যুবলীগ নেতা এনাম মজুমদার, উপজেলা ভ্যাটেনারী সার্জন সুব্রত সরকার।

উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. মহিউদ্দিন, দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের ডেঙ্গাপাড়ার এমরান চৌধুরী, বড়লিয়া ইউনিয়নের মেলঘর এলাকার হালিমা বেগম, পৌরসভার কল্যাণ দাশ ও জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের নাইখানের মঙ্গল সর্দারকে মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালনের জন্য ঘরসহ সরঞ্জাম প্রদান করেন।

ছাগলের ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি বলেন- ছাগল পালন একটি লাভজনক পেশা। ছাগল গরীবের গাভী বলেও পরিচিত। স্বল্প আয়ের মানুষ কিংবা অল্প বিনিয়োগে সক্ষম ব্যক্তিরা অল্প জায়গায় খুব সহজেই ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল আমাদের দেশের নিজস্ব জাত। এই জাতের ছাগলের মাংস সুস্বাদু এবং চামড়া উন্নত মানের হওয়ায় দেশে বিদেশে জনপ্রিয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ বলেন, ছাগল পালন একটি লাভজনক পেশা। ইহা গরীবের গাভী বলেও পরিচিত। স্বল্প আয়ের মানুষ কিংবা অল্প বিনিয়োগে সক্ষম ব্যক্তিরা অল্প জায়গায় খুব সহজেই ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। ব্ল্যাক বেল জাতের ছাগল আমাদের দেশের নিজস্ব জাত। এই জাতের ছাগলের মাংস সুস্বাদু এবং চামড়া উন্নত মানের হওয়ায় দেশে বিদেশে সমান ভাবে জনপ্রিয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল কষ্ট সহিষ্ণু, দ্বুত বর্ধনশীল এবং বছরে দুইবার বাচ্চা দেয়। প্রতিবারে এই ছাগল দুই বা ততোধিক বাচ্চা দেয় এবং দ্বুত বাজারজাত করণের উপযোগী হয় বলে এই জাতের ছাগল পালন লাভজনক। তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এসময় তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে গবাদিপশুর টিকা প্রদান কর্মসূচি এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সেবা কার্ড বিতরণ এর পাইলট কর্মসুচীর শুভ উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচি অফিসের নিজস্ব একটি পাইলট কর্মসূচি যার মাধ্যমে এই উপজেলায় বাণিজ্যিক খামারে গবাদি পশুর টিকা শতভাগ নিশ্চিত হবে এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সেবা কার্ডের মাধ্যমে খামারিরা টিকার রেকর্ড সহজে রাখতে পারবেন বলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ভা. জপু চক্রবর্তী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতামত দিন