কক্সবাজারে সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবসায়ী জাহেদ আহত,থানায় অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার শহরের ৯ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোনারপাড়া এলাকার মোঃ শফি প্রকাশ তেইল্লাছুরার ছেলে আনোয়ার হোসেন খোকন নামের এক দখলবাজের আচমকা হামলায় ও-ই এলাকার ব্যবসায়ি জাহেদুল কাদের জাহেদ (৩২) এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ জুলাই (শনিবার) বিকাল ৫ টার দিকে।

ঘটনার বিস্তারিত এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, অত্র এলাকার মোঃ শফি প্রকাশ তেইল্লাছুরার মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার বেবীর ও প্রতিবেশী প্রতিবন্ধী রাজিবের মা বিধবা খালেদা আক্তারের সাথে কিছু দিন যাবত বসভিটের সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।তার ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুলাই ইয়াছমিন আক্তার বেবি সদর মডেল থানায় গিয়ে প্রতিপক্ষ বিধবা খালেদা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।সেই অভিযোগের তদন্ত করতে সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর দেলোয়ার হোসেন।পুলিশ দেখে স্থানীয় কিছু লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন।কিছুক্ষণ পর সেই পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন অভিযুক্ত বসতভিটের সীমানা পরিদর্শন শেষে উভয়কে ডেকে বিষয়টি মিমাংস করার জন্য একপক্ষ থেকে ২ জন করে লোক নিয়ে পরদিন থানায় হাজির হওয়ার কথা বলে ও-ই পুলিশ কর্মকর্তা চলে যায়।

পুলিশ চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা লোকজনের সামনে অভিযোককারী বেবির ভাই আনোয়ার হোসেন খোকনের নেতৃত্বে তার বোন বেবী,বোন জামাই করিমসহ আরও কয়েকজন মিলে জাহেদকে কিল ঘুষি লাথি মেরে পৌরসভার পানি চলাচলের নালায় ফেলে দেন। তখন উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক বলেন,আহত জাহেদের বাম পা,ডান হাত ও কোমরে আঘান পেয়েছে,চিকিৎসা চলছে কয়েকদিন চিকিৎসা চালালে সুস্থ হয়ে যাবে তবে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আহত জাহেদুল কাদের বলেন,আমার বাড়ীর পিছনে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ছিলাম,পুলিশ দেখে এগিয়ে যাই,তখন বয়স্ক খালেদা আপাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে চলে যাই এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ চলে যাওয়ার সাথে সাথে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে বেবি ও তার স্বামী করিমের নির্দেশে খোকন আমার উপর চড়াও হয়।খোকন আমাকে এলোপাতাড়ি লাথি, কিল ঘুষি মারলে আমি রাস্তার পাশে নালায় পড়ে যাই এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি উপস্থিত কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর সদর মডেল থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দ্বায়ের করি।

এ বিষয়ে সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর দেলোয়ার হোসেন বলেন,গত কাল বিকালে শহরের ঘোনারপাড়ার ইয়াছমিন আক্তার বেবি নামে এক মহিলার সীমানা বিরোধের অভিযোগের তদন্ত করতে যাই।তদন্ত শেষ করে আমি চলে আসার পর জাহেদ নামে এক যুবককে বাদী পক্ষ আহত করেছে বলে খবর পেয়েছি।সে থানায় এসে অভিযোগ করেছে।বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

মতামত দিন