কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযান : ৪ দোকানীকে জরিমানা

নূর হোসেন মামুন ||

কাপ্তাইরে নতুন বাজারে অবাধে বাড়ছে প্লাস্টিকের মোড়ক ব্যবহার। ছোট থেকে বড় যেকোন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে পাটের মোড়ক ব্যবহারের বিপরীতে প্লাস্টিকেই সয়লাভ কাপ্তাই উপজেলার সবকটি বাজার। সরকার পণ্যে পাঠজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের আইন করলেও মানছেনা সিংহভাগ দোকানী। এতে ক্ষতিগ্রস্থ এবং বিপর্যস্থ হচ্ছে প্রাণ-প্রকৃতি।

মঙ্গলবার (১৮ই আগষ্ট) বিকেলে কাপ্তাইয়ে নতুন বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে উঠে আসে এমন চিত্র। অধিকাংশ দোকানী চাউল বিক্রয়, বিতরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করে অবাধেই প্লাস্টিকের মোড়ক ব্যবহার করছেন। আইন অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৪ দোকানীকে ৩হাজার ৭’শ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুনতাসির জাহান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পাট অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম শাখার সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক তালুকদার, কাপ্তাই থানার এস আই খোরশেদ আলম, কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যাণ সমবায় সমিতি লি. এর সভাপতি মো. জয়নাল আবেদিন, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, ব্যবসায়ী নেতা প্রিয়তোষ ধর পিন্টু সহ আরও অনেকে। ভ্রাম্যমান আদালতে পেশকারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সুপার সিরাজুল ইসলাম।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুনতাসির জাহান বলেন, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০ এর ১৪ ধারা এবং ভোক্তা সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কাপ্তাইয়ে নতুন বাজারে অভিযান চালিয়ে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করে পাস্টিক ব্যবহার করায় ৪ দোকানীকে জরিমানা করি। এসময় কাপ্তাই নতুন বাজারের সোনালী স্টোরকে ১ হাজার টাকা, লোকনাথ স্টোরকে ৭০০ টাকা, মুনমুন স্টোরকে ৫০০ টাকা এবং আজাদ স্টোরকে ১৫০০ টাকা জরিমানা করি।

তিনি আরও জানান, সরকার বাধ্যতামূলক পণ্যে পাঠজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে যে আইন করেছে তা এখানে মানছেনা অনেকেই। ব্যবসায়ীরা চাউল আনছে প্লাষ্টিকের বস্তায়। ব্যবহার করছেনা পাটের ব্যাগ। তাই আইন অনুযায়ী এদের জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের প্রথম দিনে সর্তক করা হয়েছে সকলকে। পরবর্ততে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মতামত দিন