কক্সবাজারের সাবেক এমপি বদি ফের আলোচনায় 

কক্সবাজার ৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানায় দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতির মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণে চট্টগ্রাম আদালতের সার্কিট বেঞ্চ যাচ্ছেন কক্সবাজার আদালতে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন পারভেজ বলেন, দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে স্বাক্ষীরা আসতে না পারায় চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের সার্কিট বেঞ্চ কক্সবাজার আদালতে যাচ্ছেন।

সেখানে ৬ সেপ্টেম্বর সারাদিন কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির মামলাসহ মোট ১৭টি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) তারা কক্সবাজার আদালতে পৌছাবেন।

এছাড়া বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দুদকের পিপি এডভোকেট কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলুসহ দুদকের তিন সদস্যের একটি দলও কক্সবাজার যাবেন বলে জানান তিনি। তিনি জানান, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর দায়ের করা মামলাটির বাদী ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন এ মামলায় ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৭ টাকা ১১ পয়সার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

কিন্তু সাক্ষীরা আসতে না পারার কারণে দুর্নীতির মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। ফলে চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ জেলায় পর্যায়ক্রমে সার্কিট বেঞ্চ গঠনের মাধ্যমে দুর্নীতির বিশেষ মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক।

যার আওতায় সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসহ দুর্নীতির ১৭ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করতে খোদ চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ৬ সেপ্টেম্বর বসবেন কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে। সেখানে দুর্নীতির ১৭ বিশেষ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করতে স্থাপন করা হবে সার্কিট বেঞ্চ।

এদিকে ইয়াবাকান্ডে আলোচিত-সমালোচিত সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। দুর্নীতির আরেকটি মামলায় তিনি গত বছর বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেয়ার জন্য চট্টগ্রাম আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন। ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন এবার সার্কিট বেঞ্চ টিম নিয়ে বদির নিজ জেলা কক্সবাজারেই যাচ্ছেন। এ নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে আদালত পাড়ায়।

মতামত দিন