অলৌকিকভাবে বেচে গেল ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশু!

শওকত বিন আশরাফ।।দক্ষিন আফ্রিকা থেকে।।

“গ্রেস অব গড” বা ইশ্বরের করোনা,এটি দক্ষিন আফ্রিকার নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে মাএ ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে হাসপাতালে গর্ভপাত হওয়া একটি শিশুর নাম। কোপটাউনের বিশেষায়িত সরকারি জর্জ শিশু মেডিকেল এন্ড রিসার্চ হাসপাতালে এই শিশুটির গর্ভপাত হয়েছে আজ থেকে ১১৬ দিন আগে।

গত মে মাসের ২৩ তারিখ নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে গর্ভপাত হওয়া এই শিশুটির বর্তমান বয়স ১১৬ দিন।মাএ ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে এবং তিন মাস আগে এই শিশুটি গর্ভপাত হওয়ায় ডাক্তারেরা তাকে বাঁচিয়ে রাখার আশা ছেড়ে দিয়েছিল।কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন এবং খাদ্যনালী সংযোজন করে চাইল্ড ইনকিউবেটরে দক্ষিন আফ্রিকার প্রখ্যাত শিশু বিশেষজ্ঞদের তত্বাবধানে ১১৬ দিন চিকিৎসা দেওয়ার পর আজ শনিবার হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটির ছাড় পএ দিয়েছেন ডাক্তার।

এই সময় কেপটাউন বিশেষায়িত জর্জ সরকারি শিশু মেডিকেল এন্ড রিসার্চ হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ ইলস এলস গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন,শিশুটি ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে গর্ভপাত হওয়ার পর আমরা তার বেচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম।কিন্তু ইশ্বরের অপার কৃপায় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিশুটির বর্তমান ওজন এখন ৩ কেজির কাছাকাছি, তাই আজকে শিশুটিকে ছাড় পএ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে শিশুটির মা জ্যাকলিন পেট্রো সাংবাদিকদের বলেছেন,নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে শিশুটির গর্ভপাত হওয়ায় আমি তার বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়ে থাকে বিদায় জানিয়েছিলাম।কারণ ওজন এবং শ্বাস না নেওয়ায় বেঁচে থাকার কোন আশা ছিলনা।কিন্ত ইশ্বরের কৃপায় এবং ডাক্তারের প্রচেষ্টায় আমার সন্তান অলৌকিক ভাবে জীবন ফিরে পেয়েছে তাই তার নাম রেখেছি গ্রেস অব গড।

উল্লেখ্য,নবজাত শিশু জন্মের সময় স্বাভাবিক ওজন হল ২.৫ কেজি থেকে ৪ কেজি।

মতামত দিন