বান্দরবানে কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে কাজু বাদাম চাষে এল এ এগ্রো লিমিটেডের সূচনা

রিমন পালিত, বান্দরবান প্রতিনিধি : প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবান যেখানে প্রকৃতি নানা রূপে সাজে এবং প্রকৃতির তার অপরূপ সমাহার রূপবৈচিত্র্য উপহার দেয় মানব জীবনে।

আর এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতার সূচনাকে বর্তমানে সাফল্যমন্ডিত করে দুর্গম বান্দরবানের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করার এক নতুন প্রয়াস গ্রহণ করেছে কাজুবাদাম এল এ এগ্রো লিমিটেডের । তাছাড়া সরকার চাষীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষিকে যান্ত্রিক শক্তি করনে লাভ জনক আয়বর্ধক হিসেবে পাহাড়ে উচ্চ ফলনশীল ভিয়েতনাম জাতের কাজু বাদাম চাষে এগিয়ে আসছে।

আজ ১৯ অক্টোবর সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় বান্দরবান সুয়ালক লম্বা রাস্তার মাঠ প্রাঙ্গনে বছরব্যাপী কাজু বাদাম ফল এর বীজ রোপন করে এগ্রো লিমিটেডের শুভ সূচনা করেন পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ডাক্তার মোঃ মেহেদী মাসুদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এল এ এগ্রো লিমিটেডের পরিচালক ইফতিকার সেলিম অগ্নি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর, বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বান্দরবান হটিকালচার এর উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সোনা মনি চাকমা সহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

স্থানীয় জাতের কাজু বাদামের চেয়ে উচ্চ ফলনশীল ভিয়েতনামের কাজু বাদামের সাইজ ও সু-স্বাদু হওয়ায় এই জাতটিকে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদের জন্য এই নার্সারীটি করা হয়েছে। একটি চারা চার মাসের মধ্যে রোপনের উপযোগি হয় এবং রোপনের তিন বছরের পর ফলন শুরু হবে। এই নার্সারীতে ৬ লাখ কাজু বাদামে চারা উৎপাদন করা হবে। চারার মূল্য এখন কোন নির্ধারণ করা হয়নি বলে নার্সারীর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।
তবে যাদের জায়গা আছে বাগান করতে পারছে না, তাদের সাথে চুক্তি ভিক্তিক বাগানের জন্য প্রয়োজনীয় চারা দেয়া হবে এবং বাগান পরিচর্যা করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এল এ এগ্রো লি: বহন করবে। বান্দরবান হলুদিয়া ১শ একর এবং খাগড়াছড়ি সাজেকে ২শ একরে ভিয়েতনামের কাজু বাদাম বাগানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মতামত দিন