হাটাহাজারীতে ভূমি দস্যু থেকে রক্ষা পেতে এক সংবাদ কর্মীর পরিবারের স্হানীয় থানায় অভিযোগ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১নং জংগল দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডে বে-আইনি ভাবে সংবাদ কর্মীর জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে খিল্লাপাড়ার শামশুল আলম প্রকাশ শামসূ কোম্পানীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে জংগল দক্ষিণ পাহাড়তলিতে অনেক সরকারি জায়গা বিভিন্ন কৌশলে ভূমি দস্যুরা দখলে নিয়েছে। কেউ নিজের একটুখানি জায়গার সাথে মিলিয়ে কিংবা পাহাড়ের আড়ালে এ ঝোপ জংগল এলাকায় সরকারি জায়গায় ফলের বাগান বানিয়ে নিজেরাই জমিদার সেজে মহাজনি করছেন, আর এদের অন্যতম হোতা শামশু গং।

শামশু গং কানন সোসাইটিতে নিজেদের জায়গা জমি সব বিক্রি করে এখন নিজেদের পুরাতন খতিয়ানের কথা বলে অনেক আগে বিক্রি হয়ে যাওয়া জমি নিজেদের দাবী করে সাধারণ জনগণের জায়গা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

নানা ভাবে মামলা, হয়রানি করা বর্তমানে তার পেশা ও নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যখন যারা ক্ষমতায় থাকে তাদের নাম ভাংগিয়ে এসব অপকর্ম চালিয়ে যান তিনি।

বর্তমানে সে চিকনদন্ডি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর জংগল দক্ষিণ পাহাড়তলীর একটি জায়গায় জোরপূর্বক কলা বাগান করেছেন। সে কানন সোসাইটি সংলগ্ন আরেকটি জায়গা যার দলিল ও খতিয়ানমূলে রয়েছেন লিয়াকত আলী চেয়াম্যান এবং পাওয়ার দলিলে রয়েছেন সংবাদ কর্মী সালমান বিন ফারুক’র পিতা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের
সাবেক ইমাম ও খতিব মাওলানা এ কে এম ফারুক সিদ্দিকী। এটিও দখলের পায়তারা করে যাচ্ছেন শামশু গংরা। সালমান বিন ফারুক বর্তমানে আমাদের নতুন সময় চট্টগ্রাম অফিস রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই জায়গাটি বিগত ১৯৮৪ সাল থেকে ধারাবাহিক ক্রমে জনাব লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান ও মাওলানা এ কে এম ফারুক সিদ্দিকীদের মলিকানায় চাষবাস ও দখলে রয়েছে এবং তাদের নামেই ১৪১৮ নং বিএস নামজারী খতিয়ান চুড়ান্ত হয়ে
৩৪৩৮,৩৪৪৮, ৩৪৩৭ দাগের শামিল হয়ে, সরকারী খাজনাপাতি দিয়ে এই সাড়ে দশ গন্ডা জমিতে ভোগ দখলে আছেন।

ইতিমধ্যে খিল্লাপাড়ার শামসূ গং তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নানা রকম হুমকি ধমকি দিচ্ছে এবং জায়গার প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। এর আগে মাওলানা এ কে এম ফারুক সিদ্দিকী এদের বিরুদ্ধে এডি এম কোর্টে ১৪৫ ধারায় একটি
মামলাও রুজু করেন।

কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে হাটহাজারী থানা কর্তৃপক্ষ প্রকৃত মালিক লিয়াকত আলী ও মাওলানা একেএম ফরুক সিদ্দিকীদের পক্ষে দখল প্রতিবেদন দেন। এমনকি জায়গায় তারা যে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন তাও উল্লেখ করেন হাটহাজারী থানা কর্তৃপক্ষ।

হাটহাজারী মডেল থানার এসআই প্রদীপ চন্দ্র দে’র সাথে মোঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি মোহাম্মদ শামশু এর বিরুদ্ধে মাওলান এ কে এম ফারুক সিদ্দিকী একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে জানান।

বে-আইনী ভাবে আরেক জনের জমি দখলের জন্য শামসু কোম্পানীর শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের কাছে সহায়তা কামনা করেছেন তারা। থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

মতামত দিন