নিয়োগে দুর্নীতি : রেলওয়ের ১৩ কর্মকর্তার বিচার শুরু

হিসাব বিভাগের অডিটর নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের নিয়োগ পাওয়া ৮ জনসহ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ১৩ জন কর্মকতার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইসমাইল হোসেন ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর এ আদেশ দেন।

এর আগে ২০১৭ সালের ১০ মার্চ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অডিট পদে লোক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে নগরীর কোতোয়ালি থানায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসিরুদ্দিন। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারী ১৩ জনের বিরুদ্ধেই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, অডিট দুর্নীতির দায়ে করা মামলায় আজ চার্জগঠনের জন্য দিন ধার্য্য ছিল। বিচারকও উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন হয়ে গেল। এ চার্জগঠনের মাধ্যমে তাদের বিচার শুরু হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আসামিরা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব বিভাগের অডিটর পদে নব নিয়োগের জন্য গঠিত নির্বাচন কমিটির সদস্য ছিলেন। নিজেরা লাভবান হতেই পরস্পর যোগসাজশে তারা অপরাধমূলক এ কাজ করেন।

১৩ কর্মকর্তা হলেন-রেলের পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত এফএ/সিএ ও বর্তমানে সিভিল অডিট অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, রেলের পূর্বাঞ্চলের (চট্টগ্রাম) হিসাব কর্মকর্তা এবিএম মফিজুল ইসলাম, রেল ভবনের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ও বর্তমানে বাণিজ্যিক অডিট অধিদফতরের উপ-পরিচালক জিএম মামুনুর রশিদ, রেলের সিআরবি চট্টগ্রাম জোনের ডিএফএ এএফএম শহীদুল্লাহ ও মো. আনিসুল হক, অডিটর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা হোসনা আক্তার (চট্টগ্রাম), রেলওয়ে ঢাকা অফিসের অডিটর ফারজানা সুলতানা, দিনাজপুর অফিসের অডিটর মো. নুরুল আমিন, চট্টগ্রামের অডিটর (প্রশাসন শাখা), সঞ্চিতা সাদেক, রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের অডিটর অপূর্ব বিশ্বাস ও জিএম আবুল কালাম, রেলওয়ে ঢাকা অফিসের অডিটর মো. মনিরুজ্জামান এবং নীলফামারী (সৈয়দপুর) অফিসের অডিটর প্রদীপ কুমার সরকার।

মতামত দিন