নবাগত জুটি হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ একজন মহান পিতা’ ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের পরিচালনায় এই ছবির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে পারে। ছবিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধের ডাক দেয়া সাত মার্চের ভাষণ, পাক বাহিনীর নির্মমতা, মা-বোনদের উপর নির্যাতন এবং যুদ্ধ পরবর্তি বাংলাদেশে নির্যাতিতাদের বঙ্গবন্ধু কিভাবে সম্মানিত করেছেন, দিয়েছেন বীরাঙ্গনাদের নাম এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা, বিপদে একত্রিত হয়ে ঘুরে দাঁড়াবার প্রত্যয়, মহান পিতা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দেবার কথা সবই রয়েছে। হৃদয় বিদারক মুক্তিযুদ্ধের একটি অধ্যায়কে কাহিনীকার ও পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন একঝাঁক তরুন–তরুণীদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন এই চলচ্চিত্রটি।

“জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে” “একজন মহান পিতা ” চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছেন, এ ছবিটি নির্মানে এগিয়ে আসেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি শেখ শাহ আলম। এই চলচ্চিত্রের গল্পটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি হৃদয়বিদারক অধ্যায়। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলার বীরাঙ্গনা মায়েদের জীবনের একটি মর্মান্তিক ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলার গর্বীত সন্তান হিমেল রাজকে।

ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে নতুন জুটি হিসাবে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। তারা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, সে সাথে তাদের প্রথম জুটির ছবিটি সব তরুন-তরুণীদের একবার হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা হিমেল রাজের কাছে ছবিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ছবিটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী, এ ছবিটি সবার মন জয় করবে, প্রতিটি মানুষের মনে নাড়া দিবে এবং সবার অজান্তে নীজের চোখের জল গড়িয়ে পড়বে, আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখিনি তবে এ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে অনুভব করেছি ৭১ সালে যারা মহান মুক্তি যোদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন, নিজের পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন, তাদের কষ্টের কথা এবং কি নিষ্ঠুরতা হয়েছিলো তখন আমাদের মা বোনদের প্রতি। আমি শুটিং করার সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি। আমি আরো অনুভব করি আমাদের জাতির পিতার ডাকে কিভাবে এদেশের যুবকরা ঝাপিয়ে পড়েছিলো দেশ স্বাধীন করতে। আমরা সে দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে এ ছবিতে মনপ্রান দিয়ে অভিনয় করার চেষ্টা করেছি। এ ছবিতে আমি এবং মির্জা আফরিন মুক্তিযোদ্ধের চিত্রকে মনে প্রানে ধারন করে কাজ করেছি। তাই আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ একটিবার আমাদের উৎসাহীত করতে ছবিটি দেখবেন। আপনাদের উৎসাহ আমাদের অনেকদুর এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে সে সাথে দেশে মৌলীক গল্প সৃজনশীল ছবি তৈরীর আগ্রহ বাড়বে। এটা এমন একটি ছবি আপনার পরীবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে দেখতে পারবেন সে সাথে আপনার সন্তান মুক্তি যোদ্ধের ইতিহাস জানবে, বিড়ঙ্গনা নারীদের ইতিহাস জানবে, এদেশের নারীরাও যে নীজের সম্ভ্রম দিয়ে চেষ্টা করেছেন একটি স্বাধীন দেশ পেতে সেসব অজানা তথ্য জানতে পারবে।

মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের পরিচালনায় এই ছবির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে পারে। ছবিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধের ডাক দেয়া সাত মার্চের ভাষণ, পাক বাহিনীর নির্মমতা, মা-বোনদের উপর নির্যাতন এবং যুদ্ধ পরবর্তি বাংলাদেশে নির্যাতিতাদের বঙ্গবন্ধু কিভাবে সম্মানিত করেছেন, দিয়েছেন বীরাঙ্গনাদের নাম এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা, বিপদে একত্রিত হয়ে ঘুরে দাঁড়াবার প্রত্যয়, মহান পিতা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দেবার কথা সবই রয়েছে। হৃদয় বিদারক মুক্তিযুদ্ধের একটি অধ্যায়কে কাহিনীকার ও পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন একঝাঁক তরুন–তরুণীদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন এই চলচ্চিত্রটি।

“জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে” “একজন মহান পিতা ” চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছেন, এ ছবিটি নির্মানে এগিয়ে আসেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি শেখ শাহ আলম। এই চলচ্চিত্রের গল্পটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি হৃদয়বিদারক অধ্যায়। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলার বীরাঙ্গনা মায়েদের জীবনের একটি মর্মান্তিক ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে নতুন জুটি হিসাবে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। তারা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, সে সাথে তাদের প্রথম জুটির ছবিটি সব তরুন-তরুণীদের একবার হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা হিমেল রাজের কাছে ছবিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ছবিটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী, এ ছবিটি সবার মন জয় করবে, প্রতিটি মানুষের মনে নাড়া দিবে এবং সবার অজান্তে নীজের চোখের জল গড়িয়ে পড়বে,আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখিনি তবে এ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে অনুভব করেছি ৭১ সালে যারা মহান মুক্তি যোদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন, নিজের পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন, তাদের কষ্টের কথা এবং কি নিষ্ঠুরতা হয়েছিলো তখন আমাদের মা বোনদের প্রতি। আমি শুটিং করার সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি। আমি আরো অনুভব করি আমাদের জাতির পিতার ডাকে কিভাবে এদেশের যুবকরা ঝাপিয়ে পড়েছিলো দেশ স্বাধীন করতে। আমরা সে দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে এ ছবিতে মনপ্রান দিয়ে অভিনয় করার চেষ্টা করেছি। এ ছবিতে আমি এবং মির্জা আফরিন মুক্তিযোদ্ধের চিত্রকে মনে প্রানে ধারন করে কাজ করেছি। তাই আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ একটিবার আমাদের উৎসাহীত করতে ছবিটি দেখবেন। আপনাদের উৎসাহ আমাদের অনেকদুর এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে সে সাথে দেশে মৌলীক গল্প সৃজনশীল ছবি তৈরীর আগ্রহ বাড়বে। এটা এমন একটি ছবি আপনার পরীবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে দেখতে পারবেন সে সাথে আপনার সন্তান মুক্তি যোদ্ধের ইতিহাস জানবে, বিড়ঙ্গনা নারীদের ইতিহাস জানবে, এদেশের নারীরাও যে নীজের সম্ভ্রম দিয়ে চেষ্টা করেছেন একটি স্বাধীন দেশ পেতে সেসব অজানা তথ্য জানতে পারবে।

মতামত দিন