সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি ইসমাইল বাবুর স্ত্রী সুখীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার শহরের ৮ নং ওয়ার্ড বৈদ্যঘোনা এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে ইসমাইল বাবু তার বড়ভাই ওমান প্রবাসী ওসমান গণি ও ছোট বোনের ভোগদখলীয় জায়গায় জোরপূর্বক দোকান ঘর নির্মাণ করার অপচেষ্টার কারনে বড় ভাই ওসমান গণির স্ত্রী সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদনের পরিপেক্ষিতে বিজ্ঞ বিচারক বিরোধপূর্ণ জায়গায় উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে কোন ধরনের স্থাপনা না করার নির্দেশনাসহ সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য আদেশ ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সদর মডেল থানা পুলিশকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী সদর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ এর নির্দেশে উপ সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ্ নোটিশ প্রদান করে থানায় হাজির করিয়ে উভয় পক্ষের কথা শুনার পর ও-ই পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উক্ত জায়গার ব্যাপারে আদালতে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন ধরনের স্থাপনা না করা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানিয়েছিল। কিন্ত সেটা তোয়াক্কা না করে স্থানীয় কিছু প্রভাশালীদের ইন্ধনে আবারও দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করেছে ইসমাইল বাবু।

প্রতিপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা জানার জন্য স্থানীয় এক সাংবাদিক অভিযুক্ত ইসমাইল বাবুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বাবুর স্ত্রী সুখি আক্তার ফোন রিসিভ করে ও-ই সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চাঁদাবাজি এবং নারী নির্যাতন মামলাসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি দিয়ে ফোন কেটে দেয়। পূনরায় ও-ই সাংবাদিক ইসমাইল বাবুর মোবাইল ফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ ব্যাপারে ও-ই সাংবাদিক আইনের আশ্রয় নেবে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিয়ে সদর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল গিয়াস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামত দিন