নাইক্ষ্যংছড়ি দূর্নীতি দমন কমিটির সভাপতির বাসভবন থেকে দেশীয় তৈরি অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বান্দরবান থেকেঃ
নাইক্ষ্যংছড়ি দূর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি শাহ্ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সজলের  বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি।
২৭ ডিসেম্বার (রবিবার) ভোরে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশারী এলাকার শাহ্ সিরাজুল ইসলামে নিজস্ব বাসভবন থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়।
উদ্ধার করা দেশীয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি এল,জি বন্দুকসহ ৩টি দেশীয় তৈরি লম্বা বন্দুক।
যার বাড়ি থেকে এসব উদ্ধার করা হয় তিনি হলেন মৃত মোস্তাফিজুর রহমানের পুত্র  শাহ্ সিরাজুল ইসলাম (৫০)। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা দূর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী।
রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১১ বিজিবি,র ভারপ্রাপ্ত এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন মু, জাহিদুল ইসলাম।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি জোনের ১১,বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের জোয়ানেরা বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশারী এলাকায় দূর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি শাহ্ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সজলের নিজস্ব বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করে। তবে এ সময় সভাপতি সজলকে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবির অভিযানে ।
বিজিবি সূত্রে জানান, নাশকতা সৃষ্টি ও মানুষের ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ীতে সংরক্ষণ রাখা দেশীয় তৈরি ৩টি একনালা বন্দুক এবং ১টি এলজি বন্দুকসহ মোট ৪টি দেশীয় তৈরি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও আটককৃত আসামীকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ আবদুল আজিজ আহাম্মদ এইপ্রতিবেদকে বলেন, দক্ষিন বাইশারী ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেছি। এ সময় নিজস্ব বাসভবন থেকে ৩টি দেশীয় তৈরি এবং ১টি এলজি রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।’’ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অস্ত্র, মাদক ও কাঠপাচারসহ সব ধরনের সন্ত্রাসী ও অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা’র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি  বাইশারী  ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ মো: সিরাজুল ইসলাম  নামে একজনকে  আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১১বিজিবি)। পরে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করার পর অস্ত্রগুলো থানায় জমা করা হয়েছে।

মতামত দিন