উৎসবের ভোটে সংঘাতের শঙ্কা

রাত পোহালেই বহু প্রতীক্ষার চসিক নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে আছে শঙ্কা, উৎকণ্ঠা। সেইসাথে উৎসবের আমেজও। সব মিলে সিটি করপোরেশন ভোটের অপেক্ষায় চট্টগ্রাম। প্রস্তুত ২৬ হাজার নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণকর্মী। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছেছে সরঞ্জাম। নগরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

৭০ লাখ মানুষের নগর চট্টগ্রাম। যেখানে এবার প্রায় ২০ লাখ ভোটার বেছে নেয়ার সুযোগ পাবেন মেয়রসহ ৫৬ জনপ্রতিনিধি।

ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতিই সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সবগুলো কেন্দ্রে ভোট হবে ইভিএম পদ্ধতিতে। তাই মঙ্গলবার দিনভর ইভিএমসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানো হয় কেন্দ্রে কেন্দ্রে। এজন্য জিমনেসিয়ামসহ ছিল ৩টি বিতরণকেন্দ্র। কমিশনের আশা, নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাবেন ভোটাররা।

এবার ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব কেন্দ্রে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়। এরইমধ্যে ভোটকেন্দ্রে চলে গেছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

প্রচারণা না থাকলেও শেষদিনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন বড় দুদলের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী ও ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী দুজনই। তবে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে যথারীতি শঙ্কা আছে বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের।

এবার মেয়র পদে লড়ছেন মোট ৫ জন। আর কাউন্সিলর পদে প্রায় ২শ’। সকাল আটটা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। তবে নির্বাচনি এলাকায় থাকছে না সাধারণ ছুটি।

গেলবার এই সিটিতে মেয়র পদে জয় পান আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

মতামত দিন