পুলিশের চাঁদাবাজিতে পরিবহন শ্রমিকরা অতিষ্ঠ, বন্ধ না হলে আন্দোলন-চট্টগ্রামে পরিবহন শ্রমিক সমাবেশে বক্তারা

পুলিশের টোকেন ও রিকুজিশন বানিজ্য বন্ধ করা এবং সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে চট্টগ্রামে বিশাল শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর অলংকার মোড়ে অনুষ্ঠিত শ্রমিক সমাবেশে বক্তারা বলেন,পুলিশের চাঁদাবাজিতে পরিবহন শ্রমিকরা অতিষ্ট। এটা বন্ধ না হলে সারা দেশে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

বাংলাদেশ অটোরিক্সা হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন(রেজি নং বি-২১৮১)চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক গোলাম ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, পুলিশের চাঁদাবাজিদের কারণে পরিবহন শ্রমিকরা আজ অতিষ্ঠ। অনতিবিলম্বে এই সকল অবৈধ কর্মৃকান্ড বন্ধ না হলে সারা দেশে পরিবহন শ্রমিকদের সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তাছাড়া সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ শ্রমিক স্বার্থৃ বিরোধী ধারা-উপধারা বাতিল করাসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনেরও দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সড়ক পরিবহন ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব উজ্জ্বল বিশ্বাস।বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ইয়াসিন মিরাজী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন,  সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ পুর্নবিবেচনা করে শ্রমিক নেতাদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে  সড়ক পরিবহন আইন সংশোধন করতে হবে। পুলিশের রিকুজিশন বাণিজ্য বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে নামতে শ্রমিকরা।এছাড়া সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে কার্যকর করে ব্যাটারী চালিত রিক্সা বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, পুলিশের টোকেন, মেসেজ, মাল্টি বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। পার্কিং ব্যবস্থা না করে নো পার্কিং মামলা দেওয়া যাবে না এবং এক রোডের গাড়ি অন্য রোডে  চলতে দেওয়া যাবে না।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দুই চাকার যান বাণিজ্যিকভাবে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেন, তিন চাকার যান এর জন্য মহাসড়কে আলাদা লাইন দিতে হবে। স্মার্ট কার্ড প্রদানের নামে হয়রানি বন্ধ করারও আহ্বান জানান শ্রমিক নেতারা।

 

মতামত দিন