মুফতি ফারুক সিদ্দিকীর “হিউম্যান রাইটস্ ডিপ্যান্ডার অ্যাওয়ার্ড লাভ

বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতীব ও বর্তমান পূর্ব নাসিরাবাদ তুলাতুলি জান্নাতুল ফেরদাউস জামে মসজিদের খতিব মুফতি ফারুক সিদ্দিকী বন্ধূ সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে হিজড়াদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ট অবদান রাখার জন্য “হিউম্যান রাইটস্ ডিপ্যান্ডার অ্যাওয়ার্ড-২০২১ এ ভূষিত হয়েছেন।

সোমবার সকালে বন্ধুর চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম হিরুর সভাপতিত্বে জুম এর মাধ্যমে উক্ত অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন বন্ধুর কার্যনির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমদ।

এছাড়া অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ফাস্ট সেক্রেটারী মিঃ সাচচা ব্লুমান, কানাডা হাইকমিশেনর পলিটিক্যাল কাউন্সিলর রোজেলি লাপান্টে, সুজ্যারল্যান্ড দূতবাসের রাষ্ট্রদূত আলেক্সজান্ড্রা বার্গভন লিন্ডে, বন্ধূর পরিচালক উম্মে জারিফ কান্তা, আন্না রাব্বি প্রমুখ।

মুফতি ফারুক সিদ্দিকী ২০০০ সাল থেকে নিয়ে সামাজিক এনজিও বন্ধুর সাথে সমাজের প্রান্তিক এ জনগোষ্টি হিজড়া সন্প্রদায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবণমান উন্নয়নে বলিষ্ট ভুমিকা পালন করে আসছেন। তিনি তাদের অধিকার বিষয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে প্রচলিত চারটি ধর্ম ইসলাম হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃস্টান ধর্মের স্কলারদের নিয়ে “হিজরা অভিজ্ঞান” নামে একটি বুকলেট রচনাও গ্রন্থনা করেন এটি বন্ধুর পহ্ম হতে প্রকাশিত হয় যা সরকারী বেসরকারী সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

ইতিমধ্যে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির হিজড়া অধিকার আন্দোলনের ফলশ্রুতি হিসাবে সরকার হিজড়া জনগোষ্টিকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ও জাতীয় সংসদে আইন পাশ হয়। এখন এনিরীহ পথহারা প্রান্তিক জনগোষ্টি বিভিন্নভাবে ভাবে তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার কন্টে দাবী উচ্চারন করতে সহ্মম হচ্ছেন। হিজড়ারাও মানুষ যেখানে মানুষ সেখানে থাকবে তার অধিকার কিন্তুু হিজড়ারা তাদের পারিবারিক সামাজিক ও যাবতীয় নাগরিক অধিকার হতে বন্চিত মাহরুম, মনে হয় এরা কোন মানুষই নয় অথচ এরা কারো সন্তান কারো ভাই কারো বোন কারো আত্মিয়, বাস্তব সত্য হলো তারা তাদের পরিবার পরিজন পৈতৃক সন্পত্তিসহ যাবতীয় অধিকার হতেই মাহরুম। তারা সমাজে মানবতার একটি অংশ এদেরকে অবহেলিত বঞ্চিত মাহরুম রেখে সমাজ উন্নয়ন কল্পনাতীত অবাস্তব।

মুফতি ফারুক সিদ্দিকীসহ বারজন বিশিষ্ট নাগরিককে অ্যাওয়ার্ড ভুষিত করা হয়। তারা হলেন মোঃ জাহিদূল ইসলাম আজাদ, মোঃ মিজানুল হক মিতু, বহ্নিবালা, সুক্তা, মোহনা মোঃ পারভেজ জারা, এডভুকেট সাইফুল ইসলাম তালুকদার, মোঃ এসএম শরীফুল ইসলাম, তপন কুমার সরকার।

অনুষ্টানটির সঞ্চলনা ও পরিচালনায় ছিলেন রুহুল রবিন খান ও বন্ধূর প্রোগ্রামার মসিউর রহমান রাসেল।

উল্লেখ্য মুফতি ফারুক সিদ্দিকী সমাজকে HIVAlDS মুক্ত করনে বিভিন্ন সামাজিক ও বেসরকারী সংস্হার সহযোগীতায় শত শত মসজিদের ইমাম ও খতিব ও ধর্মীয় লিডারদের প্রশিহ্মনের আওতায় এনে কাজ করেছেন।এছাড়াও তিনি একজন মানবাধীকার কর্মী ও পথকলিদের জন্যও কাজ করেন। তিনি হিজড়া জনগোষ্টি সহ বেশ কজন দূঃস্হ মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান করেন এবং কয়েকজন চিহ্নমুল গরীব ও দূঃস্হ মহিলাকে টিনের ঘর বানিয়ে মাথা গোজার ঠাই করে দেন। এছাড়া গরীব মেধাবী ছেলেদের পরিহ্মার ফি আদায়, বই কিনে সাহার্য করা ও কম্পিওটার প্রশিহ্মনে সাহায্য ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচদানে সাহার্য্য প্রদান করেন।তিনি এসব সামজিক কর্মে ধর্নাঢ্য ব্যক্তিদের সক্রিয় ভাবে এগিয়ে আসার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মতামত দিন