চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ও রেঞ্জের দ্বিতীয় হলেন লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ

মো. এরশাদ আলম, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)

মাদক ও ইয়াবা উদ্ধার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং বিভিন্ন ডাকাত ও চোরদেরকে অস্ত্রসহ আটক করতে নিরলসভাবে কাজ

করায় চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ও রেঞ্জের দ্বিতীয় স্থানে নির্বাচিত হয়েছেন লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ।

১২ আগস্ট সকালে মাসিক কল্যাণ সভায় জুলাই/২১ মাসের কর্মদক্ষতা বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রবর্তিত অভিন্ন মানদন্ডের আলোকে মূল্যায়ন করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক পিপিএম-সেবার কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরুষ্কার গ্রহণ করেন তিনি।

একই দিন চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক সভায় মাদক, ইয়াবা উদ্ধারসহ বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রাখায় রেঞ্জের ডিআইজি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের কাছ থেকে রেঞ্জের দ্বিতীয় হয়ে পুরুষ্কার গ্রহণ করেন তিনি।

সভায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্হিত ছিলেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ও রেঞ্জের দ্বিতীয় হয়ে পুরুষ্কারপ্রাপ্ত লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান,

পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের দুয়ারে দুয়ারে সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছেন। লোহাগাড়ায় আমি ওসি হিসেবে যোগদান করার পর থেকে কোন অন্যায় কে প্রশ্রয় দিইনি। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চেক পোস্ট বসিয়ে ইয়াবার বড় বড় চালানসহ অনেক ইয়াবা ও মাদক কারবারী, স্হানীয় মাদক কারবারী, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের আটক করে আদালতে সৌপর্দ করেছি।থানায় কোন দিন অন্যায়ভাবে মানুষকে হয়রানী করতে দিইনি। সাধারণ মানুষ নির্ভরে থানায় এসে পুলিশি সেবা গ্রহণ করেছেন। তিনি আরও জানান, স্হানীয় এলাকার অনেক ডাকাতকে অস্ত্রসহ আটক করেছি । মাননীয় আইজিপি স্যার,রেঞ্জের ডিআইজি স্যার, জেলা পুলিশ সুপার স্যার ও সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় আমার থানার সকল পুলিশের সদস্যদের টিম নিয়ে এলাকায় মাদক, ইয়াবা কারবারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, ডাকাত ও চোরদেরকে আটক করে আদালতে সৌপর্দ করেছি।

এদিকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ও রেঞ্জের ২য় করায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক পিপিএম সেবা ও সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জাকারিয়া রহমান জিকুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকের হোসাইন মাহমুদ।

মতামত দিন