চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় ব্যর্থতা স্বীকার সিএমপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় অবহেলার দায় স্বীকার করেছে সিএমপি। কর্ণফুলী উপজেলার শাহ মীরপুরে একই বাড়িতে চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় আলামত সংগ্রহ ও মামলা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের আংশিক ব্যর্থতা ছিল বলে স্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার হারুন অর রশিদ হাজারী।

সোমবার দুপুরে কর্ণফুলী থানা মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলনে এ ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেন বন্দর জোনের এ উপকমিশনার। এ সময় থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ব্যর্থতার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুল মোস্তাফার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কমিশনারের কাছে সুপারিশ করার কথাও জানানো হয়।

গত ১২ ডিসেম্বর রাতে কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান এলাকার এক প্রবাসীর বাড়ির গ্রিল কেটে ডাকাতির সময় একই পরিবারের চার নারীকে ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পর পুলিশ মামলা নিতে না চাইলে শেষতক ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বাবুর হস্তক্ষেপে পুলিশ মামলা নেয়। এরপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে সুশীল সমাজ।

উপকমিশনার হারুন অর রশিদ হাজারী বলেন, চার নারী প্রথমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেননি। পরে পুলিশের তদন্তে এ ঘটনা বের হয়ে এসেছে বলে দাবি করা হয়। ঘটনার পর থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চাতুরি চৌমুহনী এলাকা থেকে ইমতিয়াজ উদ্দিন বাপ্পি (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বড় উঠান শাহ মীরপুর এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে ১৮ ডিসেম্বর মো. সুমন ওরফে বাবু ও ফারুক মাহমুদ নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মতামত দিন