কীর্তনখোলা নদী থেকে মাহফিলগামী ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

কীর্তনখোলা নদী

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই পয়েন্টে মাহফিলগামী মুসল্লি বোঝাই ট্রলার ডুবির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরমোনাই লঞ্চঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ৬টি লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মাহফিল প্রাঙ্গনে রেখে দেয়।

উদ্ধারকৃত মৃতদেহের পরিচয় হল- গাজীপুর পৌরসভার আমানউল্লাহ দেওয়ানের ছেলে শাহ্ আলী (২৮), গাজীপুর জেলার ভবানীপুরের জাকির হোসেন দিলদার (৩০), গাজীপুর সদরের আ. মালেকের ছেলে ইফতেখার (৯), মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ির উপজেলার পাচনখোলা এলাকার বাদশা ঢালী (৬৫), ময়মনসিংহের মকবুল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮) ও লক্ষ্মীপুরের হেদায়েত হোসেনের ছেলে আ. কুদ্দুস (২৪)।

বরিশাল নৌ থানা পুলিশের ওসি বেল্লাল হোসেন জানান, গত ৭ মার্চ মাহফিলের উদ্দেশ্যে বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি চরমোনাইর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। চরমোনাই ঘাটে একটি লঞ্চের পেছনে নোঙর করে আরো যাত্রী উঠানোর সময় ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। এ সময় পিছনে থাকা আরেকটি ট্রলার ধাক্কা দিলে মুসল্লি বোঝাই ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় অন্যান্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে উঠলেও কেউ নিখোঁজ হয়েছে কি-না তা জানা যায়নি। পরে ঘাটে নোঙর করা লঞ্চগুলো সরিয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ট্রলারের সন্ধান পেলেও নিখোঁজ কাউকে উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধারকৃত ৬টি লাশ ডুবে যাওয়া ট্রলারের যাত্রীদের বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লাশে পচন ধরেছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার মুসল্লীবাহী একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের কির্তনখোলা নদীর চরমোনাই পয়েন্টে একটি ট্রলারের ধাক্কায় আরেকটি ট্রলার ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে ২০-২৫ জন চরমোনাই মাহফিল গামী মুসল্লি যাত্রী ছিলেন।

মতামত দিন