চট্টগ্রামে পিইসিতে পাসের হার ৯৬.১৭, ইবতেদায়ীতে ৯০.২৯

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রামে পাসের হার ৯৬ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ইবতেদায়ী সমাপনীতে পাসের হার ৯০ দশমিক ২৯ শতাংশ। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ১১৫ জন এবং ইবতেদায়ীতে ৪৭০ জন।

৩০ ডিসেম্বর (শনিবার) দুপুর ২টায় প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা জানান, এবছর পিইসিতে নগরীসহ চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানার ৩ হাজার ৭৯৪টি স্কুলের ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৪২ হাজার ২৬৪ জন। ১৯ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে একযোগে পিইসি পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৬ নভেম্বর শেষ হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর নগরীর ৬টি সহ চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানায় ৩৪৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৫২ জন পরীক্ষার্থী। এরমধ্যে পাহাড়তলী শিক্ষা থানার ১২৭টি স্কুলের ৮টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৮৫৮, ডবলমুরিংয়ের ২০২টি স্কুলের ৯টি কেন্দ্রে ১০ হাজার ৪, বন্দরের ১২৯টি স্কুলের ৬টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৪৭৪, পাঁচলাইশের ১৯০টি স্কুলের ১০টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮৮, চান্দগাঁওয়ের ১৬৪টি স্কুলের ৯টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৭৩১, কোতোয়ালীর ১১২টি স্কুলের ৭টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৫২, বাঁশখালীর ২০৫টি স্কুলের ৩০টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৬২৭, রাউজানের ২৩৩টি ২৫টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৪৭০, সন্দ্বীপের ১৮৪টি স্কুলের ১৮টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৯১, ফটিকছড়ির ৩২০টি স্কুলের ৩৭টি কেন্দ্রের ১০ হাজার ৭৩৫, পটিয়ার ৩০৬টি স্কুলের ২৯টি কেন্দ্রের ১০ হাজার ৯৬৯, আনোয়ারার ১৬৩টি স্কুলের ১৪টি কেন্দ্রের ৬ হাজার ১৪২, বোয়ালখালীর ১৪৭টি স্কুলের ১৪টি কেন্দ্রের ৪ হাজার ৬৩৫, লোহাগাড়ার ১৪৩টি স্কুলের ১০টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৯৮৪, চন্দনাইশের ১২৪টি স্কুলের ১৬টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৯, হাটহাজারীর ২৩৯টি স্কুলের ২০টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৫৪, রাঙ্গুনীয়ার ২১৭টি স্কুলের ১৮টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ২৪, মিরসরাইয়ের ২৩২টি স্কুলের ১৮টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৪১৯ ও সীতাকুণ্ড থানার ১৭১টি স্কুলের ১২টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৯৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মতামত দিন